আমাদের বাগান
আমাদের একটি ছোট্ট বাগান, আছে গাছপালা, ফুল , ফল , প্রজাপতি, শামুক , শুঁয়োপোকা ,পাখি , আর একরাশ আনন্দ। আছে নিয়ম মেনে গাছে জল দেয়ার কাজ। ভোর বেলা আর বিকেল বেলা আমি এবং আমার বোন বাবাকে সাহায্য করি বাগানের কাজে। শীতকালে দেখি ডালে ডালে ফুটে থাকে চন্দ্রমল্লিকা , ডালিয়া , গোলাপ , আর হলুদ গাঁদা ফুল। বাবাকে দেখি শীতকালে ফুলকপি, বাঁধাকপি , আমলকি গাজর গাছ লাগাতে আর যত্ন করতে। বাবাকে দেখে আমিও শিখি। কতরকম সার আর মাটি মেপে মেপে বাবা কত যত্ন করে গাছ লাগায়। আর কাওকে হাত দিতে দেয়না। আর গরম কালে দেখি আম, সবেদা , পেয়ারা, আঁখ, কামরাঙ্গা, জাম , জামরুল গাছের যত্ন নিতে। গরম কালে যখন অনেক দিন বৃষ্টি হয়না তখন দেখি বাবাকে আরো বেশি গাছ দের যত্ন নিতে। জবা গাছ , স্থল পদ্ম, টগর , সন্ধ্যামালতী, বেল ফুল, রজনীগন্ধা , গন্ধরাজ , লেবু গাছের যত্ন নেয় বাবা। আমার খুব আনন্দ হয় যখন আমি দেখি অনেক রঙিন প্রজাপতি আমাদের বাগানে উড়ে বেড়ায়। গরম কালে আমি দেখি বাবা গাছের ডালে মাটির বাটিতে অনেক খাবার জল রেখে দেয়। পাখিরা আমাদের গাছ থেকে জাম , আম, জামরুল খায় আর তার পর বাবার রাখা জল খায়। আমি আর আমার বোন সকালে ঘুম থেকে উঠে আগে বাগানে যাই। পাখিদের ফল খাওয়া দেখি। তার পর স্কুল থেকে ফেরার পর বিকেলে বাগানে খেলি। বর্ষা কালে যখন বৃষ্টি হয় তখন আমাদের বাগান আরো সুন্দর লাগে। বর্ষার জলে সব আরো দেখতে ভালো লাগে। আরো যখন গরম কালে অনেকদিন পর বৃষ্টি হয় তখন বাবার গাছগুলোকে আরো ভালো লাগে। শীত কালের দুপুরে আমার মা আর ঠাম্মি আমাকে আর আমার বোনকে বাগানেই পড়াতে বসায়। সব মিলিয়ে এই গাছগুলো, এই বাগান , এতো রঙের পাখি, এতো প্রজাপতি, পাখির বাসা সব আমাদের পরিবারের সদস্য হয়ে গেছে। আমাদের খুব ভালো লাগে আমাদের এই ছোট্ট বাগানে খেলা করতে, সময় কাটাতে।
Name- Shruti Debnath
Class- II
Age – 06
School – Harinavi D.V.A.S High School