গল্প ও কবিতা
স্কুলজীবনের স্মৃতি
স্কুলের সেই সকালবেলা,
ঘণ্টাধ্বনির ডাক,
বন্ধুদের সেই হাসির মেলা,
আজও মনে থাকে।
কাঁধে ব্যাগ আর হাতে খাতা,
স্বপ্নভরা দিন,
ছোট্ট ছোট্ট দুষ্টুমিতে
হাসত সবার মন।
টিফিন ভাগে বন্ধুত্ব ছিল,
ছিল না কোনো ভেদ,
একটি বেঞ্চে পাশাপাশি বসে
কেটে যেত অবসেদ।
শিক্ষকদের স্নেহের বকুনি
ছিল আশীর্বাদ,
সেই কথাগুলো আজও যেন
জাগায় নতুন সাধ।
বার্ষিক উৎসব, খেলার মাঠ,
পুরস্কারের হাসি,
ছোট্ট ছোট্ট সেই মুহূর্তগুলো
আজও কত খাঁটি।
সময় বয়ে অনেক দূরে,
বদলেছে পরিচয়,
তবু স্কুলের সেই দিনগুলো
হৃদয়ে রয়ে যায়।
যদি কখনো ফিরে পেতাম
সেই সরল দিন,
স্কুলজীবনের স্মৃতিগুলো
হতো জীবনের ঋণ।

Name- Rimi Ghosh
Age- 16
Class- IX
Institution – Madhyamgram Girls’ High School
জন্মদিনের উপহার
সকালের আকাশ দেখতে , পাখির ডাক শুনতে, বৃষ্টি দেখতে ভালো লাগে রিয়ার। রোজ সকালে উঠে সে পড়তে বসে কিন্তু মন চলে যায় জানলার বাইরের আকাশের দিকে, পাখির কিচির মিচির এর দিকে, কোকিল এর কুহু কুহু এর দিকে অথবা পুকুরের পানা আর শাপলা ফুলের দিকে। রিয়া পড়াশোনা করে নিয়ে স্কুলে যায়। স্কুলে গিয়েও তার মন চলে যায় জানলার বাইরের স্কুলের চালতা গাছের দিকে, গাছের ডালে থাকা পাখির বাসার দিকে। যখন বর্ষা আসে তখন পাখি গুলো জলে ভিজে যায় , তাদের বাসা ভিজে যায়। আবার যখন বৃষ্টি শেষে রড ওঠে , ওদের কিচির মিচির এক রকম থাকে।
গরমের ছুটি পরে, প্রায় কুড়ি দিন স্কুল যাইনি। বাড়িতে বসে বার বার মন চলে যেত সেই চালতা গাছের ডাল পালার দিকে, পাখিদের বাসার দিকে, তাদের কিচির মিচির গানের দিকে, গাছের শুকনো নারকেল এর দিকে। তার পর রিয়ার স্কুল খুললো। রিয়া তার বাবা কে বললো যেন তাকে স্কুল এ দিয়ে আসে সময় মতো। রিয়া স্কুল এর পোশাক পরে তৈরী। টিফিন বাক্স আর জলের বোতল , বই খাতা নিয়ে সে এগোতে থাকলো স্কুলের দিকে। কিন্তু একী! এ কী কান্ড ! সেই চালতা গাছ উধাও। সেই পাখির বাসাও নেই। পুরো বদলে গেছে জায়গাটা। রিয়া‘র মনে কষ্ট হলো। ও যে আর জানলা দিয়ে সেই গাছ টা দেখতে পায়না। এবার ও কিভাবে পাখিদের কিচিরমিচির শুনবে?
রিয়ার মন খারাপ লাগে প্রতিদিন। একদিন রিয়া স্বপ্ন দেখে অনেকগুলো গাছ , পাখি, কাঠবিড়ালি রিয়ার বাড়ির সামনে এসে কাঁদছে, চিৎকার করছে। পাখিদের ডানা নেই , তারা খুব বৃষ্টিতে ভিজে, পরে আছে রিয়ার বাড়ির সামনে। রিয়ার ভয়ে ঘুম ভাঙলো। ভয়ে হাত কাঁপছিলো ছোট্ট রিয়ার। সে তার মা বাবা কে বলে এ কথা। রিয়ার বাবা ও মা শোনে সবটা। রিয়ার মা বাবা তাকে প্রমিস করে যে তারা রিয়াকে রিয়ার জন্মদিনে নিয়ে যাবে দারুন জায়গায়।
দুই দিন পরেই ছিল রিয়ার জন্মদিন। প্রতি বছরের মতো এবছর রিয়া তার জন্মদিন আর বাড়িতে সেলেব্রেট করলো না। সে তার বাবা মা এর সাথে গেল গাছের নার্সারিতে। রিয়া একদম অবাক। এতরকম গাছের বাহার ! এবার খুব মজা রিয়ার।
এবার রিয়া তার পছন্দের গাছ কিনে বাড়ি ফিরলো। পরের দিন রবি বার। রবিবার সকাল থেকে রিয়া লেগে গেলো কাজে। বাবার সাথে হাতে হাত মিলিয়ে সে মাটির সাথে মেশাতে লাগলো হাড়গুঁড়ো , গোবর সার , নিম সার। তার পর একটা একটা করে টবে সাজাতে লাগলো চারা গাছ গুলোকে। বর্ষায় গাছ গুলো বাড়তে লাগলো, ফুল ধরলো ডালে। খুব আনন্দে রিয়া এখন তার গাছেদের যত্ন না। সকালে পাখিদের কিচির মিচির শুনে আনন্দ হয়। এখন রিয়ার আর মন খারাপ করে না।

Name- Shruti Debnath
Age- 08
Class- II
Institution – Harinavi D.V.A.S. High School
Curiosity’s Trouble
Curiosity makes us wonder and see,
what things can or cannot be ,
Sometimes questioning leads the way,
to a beautiful land or a dark alley-way.
Whatever the world hides from you,
can be found from curiosity too.
To be curious is to be good,
but being dumb makes you the ghost’s food.
What did you think curiosity is cool?
It can sometimes show its dark sides too.

Name- Zahra Rida
Age – 11
Class- V
Institution- Loreto House School
আমার সেরা বন্ধু
আমার আছে সেরা বন্ধু,
তার সঙ্গে খেলি কত!
স্কুলে বসি পাশাপাশি,
গল্প করি শত শত।
দুঃখ পেলে হাসায় আমায়,
সুখে থাকে পাশে,
একসঙ্গে ভাগ করে খাই
টিফিন ক্লাসের মাঝে।
ঝগড়া করি কখনো আবার,
রাগও করি দুজন,
তবু শেষে হাসি আবার,
বন্ধুত্ব যে আপন!

Name- Briti Debnath
Age – 08
Class- II
Institution- Harinavi D.V.A.S. High School